ব্যাখ্যাতীত ওজন হ্রাস

শীঘ্রই ডাক্তার দেখান

3 গবেষণা · 1 সুপারিশ

সর্বশেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ব্যাখ্যাতীত ওজন হ্রাস – অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার
শীঘ্রই ডাক্তার দেখান3 গবেষণা

অকারণ ওজন হ্রাস অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত ৯৫ শতাংশ রোগীর মধ্যে দেখা যায় এবং এর জন্য দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ ও পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

মোট ১৪০ জন অংশগ্রহণকারী নিয়ে তিনটি গবেষণা পরিচালনা করা হয়। তাতে দেখা যায়, অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের একটি প্রায় সর্বজনীন লক্ষণ হলো необъяснимый ওজন হ্রাস। ৩৯ জন জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীর ওপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, এদের মধ্যে ৯৫ শতাংশ রোগ নির্ণয়ের সময় ওজন হারিয়েছেন, এবং তাদের গড় ওজন হ্রাসের হার ছিল প্রতি মাসে ৪.০ কেজি। অন্য একটি চীনা গবেষণা অনুযায়ী, কম ওজনের বিএমআই (বিএমআই) ধূমপায়ীদের মধ্যে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় (এইচআর = ১.৯৯, ৯৫% সিআই ১.০৩-৩.৮৪)। এছাড়া, প্রাথমিক পর্যায় বাদ দেওয়ার পরে এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়—যা প্রমাণ করে যে রোগ নির্ণয়ের আগেই ক্যান্সারের কারণে ওজন হ্রাস হতে শুরু করে। যেহেতু মৃত্যুর হার এবং অসুস্থতার হারের অনুপাত প্রায় ১.০ এবং রোগ নির্ণয়ের পরে গড় বেঁচে থাকার সময় ৪-৬ মাস, তাই দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ অত্যন্ত জরুরি। ৬০ জন রোগীর ওপর করা একটি আরসিটি (র‍্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়াল) থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে সঠিক সময়ে এন-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (০.৩ গ্রাম/দিন) গ্রহণ করলে ওজন এবং ক্ষুধা স্থিতিশীল থাকে। ক্রমাগত এবং необъяснимый ওজন হ্রাস পেলে দ্রুত অগ্ন্যাশয়ের পরীক্ষা করানো উচিত, যাতে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করা যায় এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

প্রমাণ

লেখক: Hopt, Ulrich T., Keck, Tobias, Küllenberg de Gaudry, Daniela, Massing, Ulrich, Taylor, Lenka A., Unger, Clemens, Werner, Kristin

প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি, ২০১৭

এই আরসিটি (RCT) থেকে দেখা গেছে যে বেশিরভাগ অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার রোগীদের মারাত্মক ওজন হ্রাস হয়, যা ক্যান্সারের কারণে শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়ার একটি প্রধান লক্ষণ। এই গবেষণায় ৬০ জন রোগীর মধ্যে যাদের ৩১ জন পুরো প্রোটোকলটি সম্পন্ন করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে এন-3 ফ্যাটি অ্যাসিড (প্রতিদিন ০.৩ গ্রাম, ছয় সপ্তাহ ধরে) গ্রহণের মাধ্যমে ওজন এবং ক্ষুধা স্থিতিশীল রাখা যেতে পারে। ইওআরটিসি-কিউএলকিউ-সি৩০ (EORTC-QLQ-C30) এবং পিএএন২৬ (PAN26) প্রশ্নপত্র ব্যবহার করে জীবনযাত্রার গুণগত মান মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। এই গবেষণাটিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে ওজন হ্রাস শুরু হওয়ার সাথে সাথেই যদি উপযুক্ত পুষ্টি সহায়তা প্রদান করা যায়, তবে এটি রোগীর অবস্থার উন্নতি ঘটাতে এবং জীবনযাত্রার মান বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

লেখক: A Berrington de Gonzalez, A Seow, A Seow, AA Arsian, Ai Zhen Jin, Andrew O. Odegaard, AO Odegaard, AR Hart, AV Patel, C Samanic, C Samanic, CA Conover, Consultation WHO Expert, D Albanes, DM Parkin, DS Michaud, E Giovannucci, EE Calle, J Luo, J Luo, J Ma, JE Manson, JH Hankin, Jian-Min Yuan, K Wada, KA Perkins, Kristin E. Anderson, L Jiao, LN Jiao Anderson, M Wang, P Deurenberg, R Durazo-Arizu, R LinY, Fu, RC Klesges, RJ Kuczmarski, RJ Stevens, RZ Stolzenberg-Solomon, RZ Stolzenberg-Solomon, RZ Stolzenberg-Solomon, S Connor Gorber, S Iodice, SC Larsson, SC Larsson, Seema Untawale, SH Jee, SO Olusi, Suminori Akiba, U Nothlings, WH Tsong, Woon-Puay Koh, WP Koh, XH Lu, Y Lin

প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি, ২০১৪

এই দলগত গবেষণায়, কম ওজনযুক্ত বিএমআই (<18.5 কেজি/মি²) এবং যারা ধূমপান করেছেন তাদের মধ্যে অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকির মধ্যে একটি সম্পর্ক দেখা যায় (এইচআর = 1.99, 95% সিআই = 1.03–3.84)। গবেষণার প্রথম তিনটি বছর বাদ দেওয়ার পরে এই সম্পর্ক আরও জোরালো হয়। এর থেকে বোঝা যায় যে, অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে ওজন হ্রাস হওয়ার কারণে সৃষ্ট বিপরীতমুখী প্রভাব এই সম্পর্কের কারণ হতে পারে। অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে মৃত্যুর হার/রোগের তীব্রতা অনুপাত 0.99 থেকে 1 পর্যন্ত, যেখানে বেশিরভাগ রোগী রোগ নির্ণয়ের চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে মারা যান। এটি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণের গুরুত্ব তুলে ধরে, বিশেষ করে যখন ওজন কমার মতো কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায়।

লেখক: Bye, Asta, Hjermstad, Marianne Jensen, Iversen, Per Ole, Jordhøy, Marit S., Ledsaak, Oddlaug, Skjegstad, Grete

প্রকাশিত: ১ জানুয়ারি, ২০১২

মোট ৩৯ জন রোগীর মধ্যে যাদের অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (ডব্লিউএইচও পারফরম্যান্স স্ট্যাটাস ০-২, গড় আয়ু ৫ মাস) ছিল, তাদের ৩৭ জন (৯৫%) গবেষণার শুরুতে ওজন কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন, যেখানে ভর্তির আগে প্রতি মাসে গড়ে ৪.০ কেজি করে ওজন কমেছিল। ৪ সপ্তাহ অন্তর নিয়মিত ফলো-আপের সময়, প্রতি মাসে ওজন কমার হার ১.০ কেজির কম নেমে আসে, যা থেকে বোঝা যায় যে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং উপসর্গ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ওজন কমার হার কমানো যেতে পারে। শুধুমাত্র কম ক্যালোরি গ্রহণ ওজন কমার কারণ সম্পূর্ণরূপে ব্যাখ্যা করতে পারেনি, যা নির্দেশ করে যে ক্যাশেক্সিয়া-সম্পর্কিত বিপাকীয় পরিবর্তনও এর জন্য দায়ী।